আমার শেকড়। আমার জন্ম ভুমি। আমার বাংলাদেশ
"তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;"
সন্ধ্যা হলে গ্রামের পাশ দিয়ে বহমান রেললাইনে বসে আড্ডা। চাঁদা দেখা। করিমের বাঁশীর সুর , আহসান পাগলার লাঠিখেলা। গ্রামের একমাত্র ছোট টঙ্গ দোকানে বসে ধুমায়িত চা। ছোট নদীতে ঝাপাঝাপি। মারবেল খেলা, ম্যাচ বক্স দিয়ে নৈ নৈ খেলা মা'র শাসন - দাদির আস্কারা। দিগন্ত বিস্তিরিত ধান ক্ষেত। লাউ শসার মাচা। সপ্তাহে দুদিন হাট। কলা গাছের ভেলা। ঝমঝম বৃষ্টির শব্দ। পাট জাগের গন্ধ। পাট ক্ষেতে চুরি করে প্রথম বিড়ি ফোঁকা। বাঁশঝাড়ের গাঁ ছমছমে ভৌতিক পরিবেশ। হারিকেন আলো। শীতে নাড়া জ্বালিয়ে আগুন পোহানো। খেজুর রসের পিঠা। রাতে পালিয়ে যাত্রা গান দেখা। মিডনাইট 'শো' দেখে ঘাট লোকাল ট্রেনে ফেরা - এভারিডি টর্চ লাইটের আলোতে রেললাইন দিয়ে হেটে বাড়ী ফেরা। আম গাছের ডাল গিয়ে দাঁত মাজা। আম, জাম, ডাব, মাল্ভোগ কলা চুরি। মহিষের পিঠে উঠে রাখাল বালক সাজা। পূজা ঈদ বিভিন্ন পার্বণ। শীতের শুরু রাত জেগে ক্ষেত হতে বিভিন্ন পদ্ধতিতে মাছ ধরা - কৈ ,গড়াই, শিং মাগুড় - নদীতে গাড়া বরশী দিয়ে বোয়াল মাছ ধরা। পুরাতন লোহালকর দিয়ে কটকটি খাওয়া। আরো কত কিছু। বন্ধুসম জাকির ভাই, মাখন ভাই, বাদল ভাই, তাপস বৈরাগী, মাখন লালা ঘোষ, মনটু নাপিত, কান্তি দাদা, জলিল, বাবার বন্ধু রমণী মাষ্টার- তোমাদের খুব মনে পরে। খুব দেখতে ইচ্ছা করে। খুব টানে আমাকে। কেমন যেন একটা হাহাকার টের পাই। কি যেন নেই ? এ অনুভূতি কোন কলমে লিখে প্রকাশ করবার নয়। শুধু অন্তর দিয়ে অনুভব করা যায়।
আজ সব আছে তারপরও কি যেন নাই। এ জীবনটাকে মাঝে মাঝে বড় অভিশপ্ত লাগে। বুকের কান্নাগুলো দেখার কেউ নাই। মা আমি যে বড্ড ক্লান্ত এ জীবন যুদ্ধে। এ যে মায়া, এ যে মা'র জন্য মায়া। শেকড় এ যে আমার শেকড় একে ভুলি কি ভাবে। এভাবেই হঠাত সব সামনে চলে আসে। মা আমার মাতৃভূমি তোমাকে অস্বীকার করব কি ভাবে ?
আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে। ....................
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;"
সন্ধ্যা হলে গ্রামের পাশ দিয়ে বহমান রেললাইনে বসে আড্ডা। চাঁদা দেখা। করিমের বাঁশীর সুর , আহসান পাগলার লাঠিখেলা। গ্রামের একমাত্র ছোট টঙ্গ দোকানে বসে ধুমায়িত চা। ছোট নদীতে ঝাপাঝাপি। মারবেল খেলা, ম্যাচ বক্স দিয়ে নৈ নৈ খেলা মা'র শাসন - দাদির আস্কারা। দিগন্ত বিস্তিরিত ধান ক্ষেত। লাউ শসার মাচা। সপ্তাহে দুদিন হাট। কলা গাছের ভেলা। ঝমঝম বৃষ্টির শব্দ। পাট জাগের গন্ধ। পাট ক্ষেতে চুরি করে প্রথম বিড়ি ফোঁকা। বাঁশঝাড়ের গাঁ ছমছমে ভৌতিক পরিবেশ। হারিকেন আলো। শীতে নাড়া জ্বালিয়ে আগুন পোহানো। খেজুর রসের পিঠা। রাতে পালিয়ে যাত্রা গান দেখা। মিডনাইট 'শো' দেখে ঘাট লোকাল ট্রেনে ফেরা - এভারিডি টর্চ লাইটের আলোতে রেললাইন দিয়ে হেটে বাড়ী ফেরা। আম গাছের ডাল গিয়ে দাঁত মাজা। আম, জাম, ডাব, মাল্ভোগ কলা চুরি। মহিষের পিঠে উঠে রাখাল বালক সাজা। পূজা ঈদ বিভিন্ন পার্বণ। শীতের শুরু রাত জেগে ক্ষেত হতে বিভিন্ন পদ্ধতিতে মাছ ধরা - কৈ ,গড়াই, শিং মাগুড় - নদীতে গাড়া বরশী দিয়ে বোয়াল মাছ ধরা। পুরাতন লোহালকর দিয়ে কটকটি খাওয়া। আরো কত কিছু। বন্ধুসম জাকির ভাই, মাখন ভাই, বাদল ভাই, তাপস বৈরাগী, মাখন লালা ঘোষ, মনটু নাপিত, কান্তি দাদা, জলিল, বাবার বন্ধু রমণী মাষ্টার- তোমাদের খুব মনে পরে। খুব দেখতে ইচ্ছা করে। খুব টানে আমাকে। কেমন যেন একটা হাহাকার টের পাই। কি যেন নেই ? এ অনুভূতি কোন কলমে লিখে প্রকাশ করবার নয়। শুধু অন্তর দিয়ে অনুভব করা যায়।
আজ সব আছে তারপরও কি যেন নাই। এ জীবনটাকে মাঝে মাঝে বড় অভিশপ্ত লাগে। বুকের কান্নাগুলো দেখার কেউ নাই। মা আমি যে বড্ড ক্লান্ত এ জীবন যুদ্ধে। এ যে মায়া, এ যে মা'র জন্য মায়া। শেকড় এ যে আমার শেকড় একে ভুলি কি ভাবে। এভাবেই হঠাত সব সামনে চলে আসে। মা আমার মাতৃভূমি তোমাকে অস্বীকার করব কি ভাবে ?
আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে। ....................

Comments
Post a Comment